রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১০:৫১ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
লকডাউনে মাওয়া এবং পাটুরিয়াতে ফেরি ঘাটগুলোর কি যে অবস্থা? দেশে করোনার ভারতীয় ধরণ শনাক্ত-স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শুভ জন্মদিন ৭ মে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দিন হিসাবে সভায় বক্তব্য রাখেন কোটালিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ। ছেলের শিক্ষকের কাছে আব্রাহাম লিংকন তার চিঠিতে কি লিখেছিলেন? খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার আবেদন করেছেনতার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার আন্জুম সুলতানা সীমা এমপি’র উদ্যোগে অসহায়, দুস্থ ও ভ্রাম্যমান মানুষের মাঝে রমজান মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ চলমান লক ডাউন ১৬ মে পর্যন্ত আবার বাড়ানো হলো। জার্মানে নামাজের জন্য খুলে দিল গীর্জা। আজ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কমিউনিটি ক্লিনিক একটি জনকল্যাণ মূলক প্রতিষ্ঠান :মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

রির্পোটারের নাম / ২৫ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১

ওয়ার্ল্ড খবর২৪
রোজ:সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১খ্রঅ:

কমিউনিটি ক্লিনিক একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কমিউনিটি ক্লিনিক একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। আমি এই প্রতিষ্ঠানটির টেকসই অগ্রযাত্রায় সকলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। গতবছরের ন্যায় এবছরও বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে জনসমাগম না করে তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবাসহ কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন গ্রহণ এবং স্বাস্থ্য-সুরক্ষায় নিয়ম-কানুন মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে।


তিনি আরও বলেন, মানুষকে সচেতন করতে হবে যাতে করে চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে পারি এবং ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুতি নিতে পারি। আমি বিশ্বাস করি এ ব্যাপারে কমিউনিটি ক্লিনিক অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতাসহ এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।

তিনি আরও বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের তৃনমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক ধারণার প্রবর্তন করেন। তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরেই দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে তদানীন্তন মহকুমা ও থানা পর্যায়ে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তুলেছিলেন। জাতির পিতার স্বপ্নকে আরও একধাপ এগিয়ে নেয়ার প্রয়াসে আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের শুরুতেই আমরা প্রতি ৬ হাজার জনগোষ্ঠীর জন্য একটি করে দেশব্যাপী মোট ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। সেই আলোকে ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল জাতির পিতার জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নে আমি দেশের সর্বপ্রথম ‘গিমাডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিক’ প্রতিষ্ঠা করে এর শুভ সূচনা করি এবং ২০০১ সালের মধ্যেই আমরা ১০ হাজার ৭ শত ২৩টি অবকাঠামো স্থাপনপূর্বক প্রায় ৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চালু করতে সমর্থ হই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। দেশের মানুষ স্বাস্থ্যসেবার মতো অন্যতম মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর আমরা আবার কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করি। নতুন নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে গত ১২ বছরে মোট ১৩ হাজার ৮ শত ৮১টি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করেছি। আমরা ২০২২ সালের মধ্যে বাকি প্রায় ৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক সরকার ও জনগণের সম্মিলিত অংশীদারিত্বমূলক একটি কার্যক্রম। আমরা গত ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন’ প্রণয়ন করেছি। এ সকল ক্লিনিক থেকে সারা দেশের প্রান্তিক জনপদ স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি বিষয়ে প্রাথমিক সেবাসমূহ পাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এসকল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ঔষধ ও স্বাস্থ্য-সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। পূর্বে ৫ শতাংশ জমিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের অবকাঠামো নির্মাণ করা হতো, দিন দিন সেবাগ্রহীতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বর্তমানে ৫ শতাংশের পরিবর্তে ৮ শতাংশ জমিতে চার-কক্ষ বিশিষ্ট নতুন নকশার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্য-তথ্য সংগ্রহের জন্য ১০৬টি উপজেলার প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন এলাকার জন্য ৫/৭ জন করে মোট ২৪ হাজার মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার (এমএইচভি) নির্বাচন করা হয়েছে। ৯টি উপজেলার থানা পর্যায়ে স্বাস্থ্য তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিটি নাগরিকের জন্য হেলথ আইডি প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে হেলথ আইডি প্রদান করব। আমাদের সরকারের এসব পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে স্বাস্থ্য খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে আমাদের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ আমরা এমডিজি পুরস্কার, সাউথ-সাউথ পুরস্কার ও গ্যাভি পুরস্কার এবং ভ্যাক্সিন হিরো পুরস্কারের মত অনেক সম্মানজনক আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছি। আমি কমিউনিটি ক্লিনিকের ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কার্যক্রমের সাফল্য প্রত্যাশা করছি.

নিন্মে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ :

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করে। প্রতি ৬ হাজার গ্রামীণ মানুষের জন্য একটি করে মোট ১৩ হাজার ৫০০ ক্লিনিক তৈরির পরিকল্পনা ছিল। ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ক্লিনিকের নির্মাণকাজ শেষ হয় এবং ৮ হাজার ক্লিনিক চালু হয়। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। শত শত কমিউনিটি ক্লিনিক পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। যদিও বিএনপির একাধিক নেতা বিভিন্ন সময় বলেছেন, বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করেনি।এরপরের তত্ত্বাবধায়ক সরকার (২০০৭-০৮) কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো কীভাবে চালু করা যায়, তার একটি উদ্যোগ নেয়। এনজিওগুলোকে দিয়ে ক্লিনিকগুলো চালানো যায় কি না, এমনও ভাবা হয়েছিল। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ স্বাস্থ্য খাতের অগ্রাধিকার বিবেচনায় কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।‘রিভাইটালাইজেশন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ’ নামের প্রকল্পের আওতায় ক্লিনিকগুলো মেরামত, নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং ওষুধ সরবরাহ করার মাধ্যমে ক্লিনিকগুলো চালু করা হয়।কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে সরকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো। এখান থেকে স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টিসেবা দেওয়া হয়। এখান থেকে বিনা মূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ পায় মানুষ। শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সপ্তাহে ছয় দিন সকাল নয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ক্লিনিক খোলা থাকে। ক্লিনিক পরিচালনা করেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)। এই পদে স্থানীয় নারী কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাঁকে সহায়তা করেন স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবারকল্যাণ সহকারী। অনেকেই বলেন বা লিখেও থাকেন যে অমুক কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে কোনো চিকিৎসক দেখা যায়নি। বাস্তবে এতে চিকিৎসকের কোনো পদ নেই।কমিউনিটি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সর্বেশষ তথ্যে বলা হচ্ছে, ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবাগ্রহীতার ভিজিট সংখ্যা ৬১ কোটি ৫০ লাখ, ক্লিনিক থেকে জরুরি ও জটিল রোগী রেফারের সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখ ৪৮ হাজার, স্বাভাবিক প্রসবের সংখ্যা ৫০ হাজার ৩০৯টি, গর্ভবতী মায়ের প্রসব পূর্ববর্তী সেবা (এএনসি) ২৩ লাখ ৮৬ হাজার ২০৪টি, প্রসব-পরবর্তী সেবা (পিএনসি) ৮ লাখ ১১ হাজার ৬৬৩টি। এই বিপুল সেবা গ্রামের দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ পেয়েছে বিনা মূল্যে।


দেশব্যাপী সরকারের এই উদ্যোগ কতটুকু কার্যকর, যাদের জন্য এই উদ্যোগ তারা সন্তুষ্ট কি না, তা নিয়ে একাধিক মূল্যায়ন হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ২০১৩ সালে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তাতে বলা হয়েছে, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ৮২ শতাংশ এলাকাবাসী সেবা নেয়। ক্লিনিকগুলো বাড়ির কাছাকাছি হওয়ায় এবং বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়া যায় বলে মানুষ এখানে সেবা নিতে আগ্রহী। জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের (নিপোর্ট) জরিপে দেখা যায়, বাড়ির পাশের ক্লিনিক থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ ও পরামর্শ পেয়ে ৮০ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট। জাতীয় রোগ প্রতিরোধ ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) জরিপ বলছে, সেবা নিয়ে ৯৮ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট।
সিংহভাগ কমিউনিটি ক্লিনিক স্থানীয় কোনো ব্যক্তির জমিতে গড়ে উঠেছে। এর পরিচালনায় স্থানীয় মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত। সরকারি বেতনভুক যে তিনজন এখানে সেবা দেন, তাঁদের অধিকাংশ সংশ্লিষ্ট এলাকার। তাই কমিউনিটি ক্লিনিককে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রতিষ্ঠান বলে মনে করে। সাধারণ অসুখে আগে যারা চিকিৎসকের কাছে যেতে না, এখন তারা কমিউনিটি ক্লিনিকে আসে।
ইউনিয়ন সাবসেন্টার, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জেলা/ সদর হাসপাতাল—এ রকম একটি প্রতিষ্ঠিত স্বাস্থ্যকাঠামোর মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে কিছু টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আবার ক্লিনিক কার্যক্রম চলছে প্রকল্পের আওতায়। ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা সহকারীর বেতন হয় রাজস্ব খাত থেকে, কিন্তু সিএইচসিপির বেতন হয় প্রকল্প থেকে। এ নিয়ে সিএইচসিপিদের মধ্যে অসন্তোষ আছে।
২০১৭ সালের শুরু থেকে ‘কমিউনিটি বেজড হেলথ কেয়ার’ নামের কর্মপরিকল্পনার (ওপি) আওতায় কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চলছে। কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক আবুল হাসেম খান ব্যাখ্যা করে বললেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের কাজের পরিধি বাড়ছে। এখন প্রায় ১ হাজার ২০০ ক্লিনিকে স্বাভাবিক প্রসব হচ্ছে, প্রতিটি ক্লিনিকে স্বাভাবিক প্রসবের আয়োজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগ এখান থেকে শনাক্ত করা হবে।

স্বাস্থ্যসম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের সাফল্য তুলে ধরা হয়। বিশ্বসম্প্রদায়েরও কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্যাপারে আগ্রহ আছে। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক বাংলাদেশ সফরের সময় গ্রামে গিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ঘুরে দেখেছিলেন।
বিনা মূল্যে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা বা ৩০ ধরনের ওষুধ পাওয়া গ্রামের মানুষের জন্য কম পাওয়া নয়। গ্রামের মানুষদের নিয়ে গঠিত কমিটি চালায় কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় গ্রামপর্যায়ে স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণের এই ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে একটি মডেল, বড় সাফল্যের দৃষ্টান্ত।

ওয়ার্ল্ড খবর২৪
E-mail-lorencetimo@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com