মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
মারা গেলেন ফুটবলের জাদুকর ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর নয় ভর্তির পরীক্ষা, এবার স্কুলের সব শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হবে। অবশেষে পরাজয় মেনে নেওয়ার প্রক্রিয়া করছেন ট্রাম্প। ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২৮ ডিসেম্বর কুমিল্লায় বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা। ‘শুধু রাজস্ব আদায় নয়, নাগরিক সেবাও বাড়াতে হবে’-ওয়ার্ল্ড খবর২৪ সিলেটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন-ওয়ার্ল্ড খবর২৪ যে ধর্মেরই হোন না কেন, আমরা সবাই বাঙালি: সজীব ওয়াজেদ।ওয়ার্ল্ড খবর২৪ যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র গতিতে ছুটে আসছে তাজমহলের দ্বিগুণ গ্রহাণু, পৃথিবীর কাছ দিয়ে বেরিয়ে যাবে কাল।

কুমিল্লায় দীর্ঘ হচ্ছে করোনা উপসর্গে মৃতদের তালিকা-ওয়ার্ল্ড খবর২৪

ডেস্ক রিপোর্ট / ১১০ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

দিনদিন বেড়েই চলছে কুমিল্লায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা,বেড়ে চলছে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা।
এই করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা ও মৃত্যু সংখ্যা কমার জন্যই নিচের চিত্র লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবো, কেন আমাদের আরো সর্তকার সাথে সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলা দরকার?
কুমিল্লায় প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে করোনা উপসর্গে মৃতদের তালিকা।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১৮ দিনে (২২ জুন থেকে ৯ জুলাই ২০২০ খ্রী: সকাল পর্যন্ত) কোভিড- ১৯ করোনা ইউনিটে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৭৮ জন।

গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২০ খ্রী:) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে করোনা উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন, কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকার মিজানুর রহমান (৩৮), কুমিল্লা সদর উপজেলার কালিকাপুর এলাকার ফরিদ উদ্দিনের মেয়ে ফিরোজা বেগম (৬০), কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে রোকেয়া খাতুন (৬৫), কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ উপজেলার আবদুল খালেকের ছেলে স্বপন (৩৮), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার আবদুল্লাহর মেয়ে ফিরোজা বেগম (৬০), কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘনা মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৬৫) ও চাঁদপুর মতলব উপজেলার নিকিল সরকারের ছেলে নারায়ণ সরকার (৪০)।

৮ জুলাই ২০২০ খ্রী: সকাল ১০ টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মুহম্মদ আজিজুল হক (৪৫)এর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার বাসা থেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ৭ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

৪ জুলাই দুপুর থেকে ৫ জুলাই সকাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড-১৯ করোনা ইউনিটে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ-উপসর্গ নিয়ে এক নারীসহ মারা গেছে ৫ জন। হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে ২ জন, করোনা ওয়ার্ডে ১ জন এবং আইসোলেশনে ২ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, নাঙ্গলকোটের আবদুল আলিম (৬৭), বুড়িচংয়ের নুরুজ্জামান (৮৮), নুরজাহান (৮০), ব্রাহ্মনপাড়ার মোশাররফ হোসাইন (৫৩) ও চাঁদপুরের টিপু সুলতান (৪৬)।

৩ জুলাই দুপুর থেকে ৪ জুলাই সকাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৬ জনের। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন, চাঁদপুর জেলা শাহারাস্তি উপজেলার স্ত্রী নাজমা রহমান (৫০), কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আবদুল করিম (৭৫), কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার জামাল উদ্দিন (৫৩), গোপালগঞ্জ জেলার লুৎফর নেছা (৬২), কুমিল্লা সদর উপজেলার আবদুল কাদের (৬০)। এছাড়া বাকি একজনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

২ জুলাই সকাল থেকে ৩ জুলাই সকাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে ৬ জন।

১ জুলাই দুপুর থেকে ২ জুলাই সকাল পর্যন্ত সময়ে মারা গেছেন ৫ জন। এদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা রয়েছে। মৃত ৫ জনই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে ৪ জন ও আইসোলেশনে ১ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত ব্যক্তিরা হল, ইউসুফ আলী, নাবিল, হাজী জব্বর, দুদু মিয়া ও রিনা আক্তার।

৩০ জুন দুপুর থেকে ১ জুলাই সকাল পর্যন্ত সময়ে করোনার উপসর্গ ও লক্ষণ নিয়ে মারা গেছেন ৬ জন । মৃত ৬ জনই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন।

২৯ জুন দুপুর থেকে ৩০ জুন সকাল পর্যন্ত সময়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ ও লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে ৪ জন। এদের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলা। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লা সদরের আইরিন (৮), সেলিম হোসেন (৫৩), সদর দক্ষিণের আয়চান বিবি (৬০) ও চাঁদপুরের নুরজাহান (৬৫)।

২৮ জুন দুপুর থেকে ২৯ জুন সকাল পর্যন্ত মারা যাওয়াদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার চান্দিনার রাফিয়া (৬৫), আতিকা রেজি (৬৭), বরুড়ার তোফাজ্জল হোসেন (৫০), সেলিমুল ইসলাম ভূইয়া, সদরের বিলকিস বেগম (৪৫), মমতাজ বেগম (৫৫) ও আবু তাহের (৬০)।
২৭ জুন দুপুর থেকে ২৮ জুন সকাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬ জন। এদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার রাহেলা বেগম, মোস্তফা, নাছিমা বেগম, ফরিদ উদ্দিন, মোসলেম মিয়া এবং চাঁদপুরের মোতাহের হোসেন।

২৬ জুন বিকেল থেকে ২৭ জুন সকাল পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেন করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩ জন। ৩ জনই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন জেলার বুড়িচং উপজেলার বারবী মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন (৬০), সদর দক্ষিণের সেকান্দর মিয়ার ছেলে মোসলেম উদ্দিন (৬৫) এবং আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার এলাকার ইকবাল মজুমদারের ছেলে তানভীর মজুমদার (৪০)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪ জন। এর মধ্যে ২ জন পুরুষ ও ২ নারী। তাদের বেশির ভাগেরই বয়স ৪৫ থেকে ৭৫ বছর।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন, জেলার চান্দিনার ইদ্রিস মিয়া (৬০), আবদুল মান্নান (৬৫), সদরের হনুফা বেগম (৪৬) ও লাকসামের শাহানারা বেগম (৬০)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর থেকে বুধবার (২৪ জুন) সকাল পর্যন্ত কুমিল্লায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৪ জন মারা গেছে। এদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা।
মৃত ৪ জনই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আব্দুল জলিল, আদর্শ সদর উপজেলার মধুসূদন, হোমনা উপজেলার দুলাল মিয়া ও দাউদকান্দি উপজেলার রুসিয়া ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ৪ জন এবং অপর দুই জন মারা যায় আইসোলেশনে। এদের মধ্যে ৫জন পুরুষ ও ১জন মহিলা।
মৃতরা হলেন চাঁদপুরের কচুয়ার দেবীপুরের সিরাজুল ইসলাম (৮৫), কুমিল্লার ঠাকুরপাড়ার পুষ্পা রানী মজুমদার(৬৫), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের অরুন চন্দ্র (৮০), কুমিল্লার দুর্গাপুরের আবদুল মান্নান (৯৬), কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার আব্দুল আজিজ (৩৪) , কুমিল্লার দেবীদ্বারের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম (৭০)।

গত সোমবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিটে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ-উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরো ৬ জন। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ৫ জন এবং অপর একজন মারা যায় আইসোলেশনে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন , কুমিল্লা সদর উপজেলার পারভীন আক্তার, সদর দক্ষিন উপজেলার মোস্তাক আহমেদ, হাজী মোঃ আবুল হোসাইন, মোসলেম। এছাড়া চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার আলমগীর হোসেন ও হাজীগঞ্জ উপজেলার নজরুল ইসলাম।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারি সার্জন।

উপরের তথ্য অনুসারে এখনও সময় আছে আমাদের এই মহামারি করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাবার।আর এই করোনার হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য যে যে স্থানে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাবে, সেখানেই রেড লক ডাউন দিতে হবে,যে বাড়িতে আক্রান্ত পাওয়া যাবে সেই বাড়িটিকে রেড লক ডাউন দিতে হবে।
তবে তা যেন এমন না হয় যে,
রেড় লক ডাউন শুধু মুখেই না হউক, কাজে প্রমানিত হউক,আর তা করার জন্য যতটুকু কঠোর হওয়া প্রয়োজন তার থেকে বেশি হওয়া প্রয়োজন প্রশাসন ও স্বেচ্ছা সেবকদের।
আজ আমরা যদি আমেরিকার দিকে রক্ষ করি তা হলে দেখতে পাই, সেখানে পৃথিবীর সব থেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে করোনায়।তার কারণ হলো তার কোন নিয়ন-কিনুন মানছে না।যে যার মতো চলাফেরা করছে।
যার চিত্র আমরা কুমিল্লার মেইন রাস্তায় বের হলে দেখতে পাই।
রাস্তায় বের হরে মনেই হয় না যে, আমাদের এই কুমিল্লায় কোন করোনা ভাইরাস আছে।
মানুষ চলাফেরা করছে তাদের নিজের ইচ্ছা স্বাধীন মতো,কারো কারো মুখে নেই মাস্ক,নেই চলাফেরায় দূরত্ব,যেখানে সেখানে ফেরছে কফ,মানছে না স্বাস্থ অধিদফতরেরর নিয়ম কানুন।
তাই তো বেরেই চলছে করোনার সংক্রাসণ ও করোনায় মৃত্যু।
এভাবে চলতে থাকলে এক সময়ে মৃত্যুর নগরি হয়ে উঠবে কুমিল্লা।
কারণ তার প্রমান হলো আমেরিকা,তারা মানছে না, কোন নিয়ম নিতি,যে যার মতো চলছে,নিজেরা নিজেদের স্বাধীন ভেবে চলছে,তাই তো পৃথিবীর সব থেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে আমেরিকায়।
আমরা জানি যে, যে বাড়িয়েতে করোনায় আক্রান্ত হবে, সে বাড়ির সবাই লক ডাউনে থাকবে, অথচ আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, যে বাড়িরতে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে, সে বাড়ির অন্যান্যরা ও বের হচ্ছে,সবার সাথে চলাফেরা করছে,সামাজিক ভাবে সকল কাজ করছে।
জানিনা এটা কতটুকু সবার জন্য ভয়ানক।
তাই এখন সময় আছে, যে এলাকা কিংবা বাড়িতে করোনা রোগী সনাক্ত হবে, সে বাড়ি ও এলাকা রেড় লক ডাউন করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
কারণ যেহেতু এই করোনা ভাইরাস বায়ুবাহিত /বাতাসেও ছড়ায় তাই সর্তকাতা অবলম্বন করে নিজে বাঁচি, পরিবারকে বাঁচাই,বাঁচাই দেশ ও জাতিকে।

ওয়ার্ল্ড খবর২৪


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com