বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা-worldkhobor24 সোমবার থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস-worldkhobor24 মুজিববর্ষ উপলক্ষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ওয়াটার এন্ড স্যানিটেশন প্রকল্পের উদ্বোধন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। শৈলেন হোমিও কেয়ারের নতুন স্থানে শুভ উদ্বোধন ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস-ওয়ার্ল্ড খরব২৪ সাংবাদিক রোজিনাকে হেনস্তা ও গ্রেপ্তার এবং অবশেষে কারাগারে প্রেরণ ১৫ মে – বিশ্ব পরিবার দিবস। ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে লড়াই এখন যেরকম তীব্র হয়ে উঠেছে তা একটি “পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে” রূপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘ।

করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় পাল্টিয়ে দিতে পারে প্লাজমা ( Plasma) থেরাপি?

Dr.Lorance Timo Bairagi. / ৪৩১ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

আমাদের জানতে হবে এই প্লাজমা ( Plasma ) কি?
What is Plasma?

রক্তের তরল, হালকা হলুদাভ অংশকে রক্তরস (plasma) বলে।

বিভিন্ন চিকিৎসক ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে জানা গেছে যে, করোনা আক্রান্ত কোন রোগী সুস্থ হলে তার রক্তে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়৷
তা থাকে রক্তের হলুদাভ জলীয় অংশ৷ আর এটাই হলো প্লাজমা৷
করোনা আক্রান্ত রোগী যদি সুস্থ হয়, তবে সেই করোনা আক্রান্ত সুস্থ ব্যক্তির শরীর থেকে হলুদাভ জলীয় অংশ নিয়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দিলে,
সেই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে এবং করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন৷

প্লাজমা


তবে মনে রাখতে হবে যে, সেই রক্তের হলুদ
জলীয় অংশ অবশ্যই করোনা আক্রান্ত সুস্থ্য রোগীর শরীরের রক্তের হলুদাভ জলীয় অংশ হতে হবে।তা না হলে কোন কাজই হবে না।

বিশ্বের অনেক দেশে ইতো মধ্যেই করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপি শুরু করা হয়েছে।
কিছুদিন আগে বাংলাদেশে একটি বেসরকারি হাসপাতালে কনভালসেন্ট প্লাজমা থেরাপি করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশে আপাতত এই চিকিৎসার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হচ্ছে। সফলতা পাওয়া গেলে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসায় এটি পুরোদমে শুরু করা হবে।

তবে আমাদের মনে রাখতে হবে এই প্লাজমা থেরাপি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি বেশ পুরোনো একটি পদ্ধতি।


কিন্তু হয়তো আমাদের কাছে এটি নতুন পদ্ধতি মনে হচ্ছে।
এই পদ্ধতিতে সাধারণত কোন ভাইরাল সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠা মানুষের রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই রক্ত সঞ্চালিত করা হয় একই ধরনের ভাইরাল সংক্রমণের শিকার রোগীর দেহে।

১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লুর মহামারি এবং ১৯৩০ এর দশকে হামের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়েছিল। একেবারে সাম্প্রতিক সময়ে ইবোলা, সার্স এবং ‌’এইচ-ওয়ান-এন-ওয়ান’ এর মতো রোগের চিকিৎসায়ও এটি ব্যবহার করা হয়েছে।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে করোনাভাইরাসের বিস্তার শুরু হওয়ার পর বিশ্বে এ পর্যন্ত ৪৫ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে আর মারা গেছে সাড়ে তিনলক্ষের বেশি মানুষ। বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২,৮৪৪জন বেশি মানুষ। মারা গেছেন ৫৮২ জন।

কিন্তু এই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে পুরোপুরি কার্যকর কোন ওষুধ বা টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।


তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে,মানুষের রক্তের ৫৫ ভাগই প্লাজমা৷ এটি দেয়ার ক্ষেত্রে কোনা শারীরিক ঝুঁকি নেই বলেও জানান চিকিৎকরা৷ তাই করোনা থেকে আরোগ্যলাভকারীরা যদি প্লাজমা দিতে এগিয়ে আসেন তাহলে অনেক জীবন বাঁচানো যাবে বলে জানান বিভিন্ন চিকিৎসকেরা।

ঘরে থাকুন, বার বার সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। নিজে সুস্থ থাকুন ও অন্যকে সুস্থ থাকতে সহয়তা করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com