শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন -শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ২.৮ লাখ শিক্ষার্থীর গ্রেডিং অনিশ্চয়তায়। জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলার নিয়ম-কানুন-ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন নির্ধারণে নীতিমালা করতে কমিটি। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের পোস্ট দিতে পারবেন না কলেজের ছাত্র–শিক্ষকেরা-ওয়ার্ল্ড খবর২৪.। ভয়াল মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষা হবে না।শিক্ষামন্ত্রী। নারী সম্পর্কে সচেতন হতে হবে সমস্ত জাতীকে-ওয়ার্ল্ড খবর

স্বাস্থ্য সেবায়, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

অনিতা সাহা / ৪৪০ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

অনিতা সাহা:
স্বাস্থ্য সেবা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অগ্রগতি আলোচনা করতে গেলেই, প্রথমে জানতে হবে এই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রথম চালু করেছিলেন, তাই আমি সর্বপ্রথমে তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারনা দিয়ে আমি আমার প্রতিবেদন লিখছি।

হোমিওপ্যাথির প্রতিষ্ঠাতা পরিচিত:
নামঃ ডাঃ ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান(এম.ডি)( Christian Friedrick Samuel Hahnemann)(M.D)
তিনিই সর্বপ্রথম এই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রদ্ধতি চালু করেন।
জন্ম তারিখঃ
তিনি ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের ১০ এপ্রিল মাঝরাতের পর জার্মানির সেক্সনি রাজ্যের মিসেন নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষা জীবনঃ
তিনি ছিলেন ১১ টি ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন। তিনি রসায়নবিদ, উদ্ভিদ বিদ্যায় পারদর্শী, সমাজবিজ্ঞানী, মনস্তাত্ত্বিক, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যের রক্ষক।
তিনি আধুনিক যুগের চিকিৎসার সংকট নির্ধারণ, সমাধান ও উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক অবদান রাখেন।
ডা.হ্যানিম্যান জার্মানীর লিপজিক বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রাদার্স অফ মার্সি হাসপাতাল, আরলাংগেন বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রানসিলভেনিয়ার গভর্নরের পাঠাগারের চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর লেখা যাবতীয় বই পড়েছিলেন। ১৭৭৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি আরলাংগেন বিশ্ববিদ্যালয় হতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি ডিগ্রী লাভ করেন, অতঃপর ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দ হতে তিনি তার চিকিৎসা জীবন শুরু করেন। তিনি তৎকালীন প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসারে একজন অত্যন্ত জ্ঞানী, বাস্তবধর্মী, প্রগতিশীল ও সফল চিকিৎসক ছিলেন।

সফট-টেক ইন্স:অব মেডিকেল টেকনোলজি কলেজে ভর্তি চলছে!


বিগত আড়াই হাজার বছরের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করে তিনি দেখতে পান যে, তখনকার চিকিৎসা বিজ্ঞান নানা অনিয়ম ও সংকটে পরিপূর্ণ ছিল। রোগের কারণ সম্পর্কে তা বিভিন্ন অতিপ্রাকৃতিক, কাল্পনিক, অবাস্তব, অবৈজ্ঞানিক, ক্ষতিকর ও কুসংস্কারচ্ছন্ন ধারণায় পরিপূর্ণ ছিল। এ সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সহায়ক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলোও বিভিন্ন ভুল পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে এগুলো নানা অসদৃশ ও বিসদৃশ চিকিৎসা পদ্ধতির জন্ম দিয়েছে। এ ধরনের চিকিৎসায় কোন কোন সময় সাময়িক উপশম হয়, কিন্তু তা পুনরায় মারাত্মক আকারে ফিরে আসে অথবা আরও ক্ষতিকারক ভিন্ন নামের রোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এভাবে চিকিৎসার ফলে অনেক অসাধ্য ও দুঃসাধ্য রোগের সৃষ্টি হয় যা সাধারণত আরোগ্য করা যায় না। তিনি বলেন যে, তার সময় পর্যন্ত যত লোক অনাহারে মারা গেছে, এর চেয়ে দশগুণ বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে এমন কুচিকিৎসায়। প্রচলিত চিকিৎসার অনুসারী হিসেবে তিনি নিজের চিকিৎসা জীবনে এই চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যর্থতা ও কুফল বারবার উপলব্ধি করেন।
১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে ডাঃ উইলিয়াম কেলেন এর লেখা ‘এ ট্রিয়েটিস অন মেটেরিয়া মেডিকা’ বইটি ইংরেজি হতে জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন। উক্ত মেটেরিয়া মেডিকার দ্বিতীয় খন্ড অনুবাদের সময় তিনি দেখতে পান যে, সিনকোনা ম্যালেরিয়া জ্বরের ঔষধ ও এই ঔষধ পাকস্থলীর উপর টনিকের মতো কাজ করে এবং ম্যালেরিয়া ভালো হয়। হ্যানিম্যান এটুকু বর্ণনায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি সিনকোনা গাছের ছালের রস দৈনিক ৮ ড্রাম-ফাইল পরিমাণে নিজে সুস্থ অবস্থায় সেবন করে এর ক্রিয়াক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন তিনি একদিন দেখতে পান যে,

ডা.হ্যানিম্যান এর প্রথম তৈরি ঔষধ চায়না।


সিনকোনা রস সেবনে তার দেহে ম্যালেরিয়া প্রকাশ পেয়েছে। এভাবে বিভিন্ন ভেষজ পদার্থ নিজ দেহে পরীক্ষা করে তিনি নিশ্চিত হন যে, যে ভেষজ সুস্থ দেহে যে রোগলক্ষণ সৃষ্টি করে, তা যে কোন রোগীর তেমন রোগলক্ষণ আরোগ্য করতে পারে। তিনি এসব ঔষধ দিয়ে বিভিন্ন রোগী আরোগ্য করে হাতেনাতে এর প্রমাণ পান। হ্যানিম্যান তার নব আবিষ্কৃত এ সদৃশ চিকিৎসা পদ্ধতিকে ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে হোমিওপ্যাথি নামে অভিহিত করেন। তিনি ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দ হতে ১৮০৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এলোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি পরীক্ষামুলকভাবে হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে চিকিৎসা করেন। ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দ হতে শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কার্যে নিয়োজিত হন। ১৮১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিমা চিকিৎসা পদ্ধতিকে এলোপ্যাথি নামে অভিহিত করেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচলন করে তিনি আধুনিক চিকিৎসায় এক প্রগতিশীল ও যুগান্তকারী ধারা সংযোজন করেন। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে সংস্কারমুক্ত, পরীক্ষা-নিরীক্ষা নির্ভর, বৈজ্ঞানিক, প্রাকৃতিক, নিয়ম নীতি ভিত্তিক ও বিজ্ঞান কলা দর্শন সম্মত আদর্শ চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
এই হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির জনক ডা.হ্যানিম্যান এ্যালপ্যাথি বর্জন করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করা।
তবে তাতে কিন্তু থেমে নেই, এ্যালপ্যাথি চিকিৎসা।এ্যলপ্যাথি চিকিৎসার সাথে সাথে শুধু মাত্র বাংলাদেশ, ভারত,জার্মান সহ বিশ্বের আরো অনেক অনেক দেশে আজ এই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রচলিত।

ডা.হ্যানিম্যান ৮৮ বৎসর ২ মাস ২৩ দিন এই পৃথিবীতে বেঁচে ছিলেন।
জীবিত অবস্থায় দুটি বিবাহ করেছিলেন।
প্রথম জীবনে ২৮ বছর বয়সে ১৭৮২ সালের১৭নভেম্বর ১৯ বছবের জোহনা হেনরিয়েটি লিওপোলডিন কুসলারকে বিয়ে করেন।তিনি ১৮৩০ সালের ৩১ শে মার্চ মৃত্যু বরণ করেন।তার গর্ভে দুই ছেলে ও নয় মেয়ের জন্ম হয়েছিল।
তিনি জার্মানের কোথেন বসবাসের সময় ৮০ বছর বয়সে ১৮৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারী দ্বিতীয় বার ৩২ বছর বয়সী অত্যন্ত সুন্দরী ও ধনবান ফরাসী মহিলা মেরি মেলানী ডি হারভিলাকে বিবাহ করেন।

হোমিওপ্যাথি সেবা সংঘের উদ্দ্যোগে ফ্রি চিকিৎসার সময়।


আজ আমরা যারা ডা.হ্যানিম্যানের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসা করছি,তারা এ কথা জানি যে,আমার রোগের চিকিৎসা করি না,আমরা রোগীর চিকিৎসা করি এবং তা রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী।
তারপরে মায়াজম যেমন-সোরা, সিফিলিস, সাইকোসিস ও টিউবারকুলাম অনুযায়ী।

হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতি অনুযায়ী একজন ডাক্তারে তার চিকিৎসা সঠিক ভাবে দিতে পারে একজন রোগীকে এবং সেই রোগীও সঠিক চিকিৎসা পেয়ে থাকে

আমার অনেক অভিজ্ঞতার মধ্যে প্রথম অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি যখন আমি প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
আমার প্রিয় দুই স্যার একজন হলো-
হোমিওপ্যাথি সেবা সংঘের সভাপতি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির ” স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক” সদস্য,বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতি কুমিল্লা জেলার সাধারন সম্পাদক ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী এবং হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক,হোমিওপ্যাথি সেবা সংঘের সাধারন সম্পাদক ডা.আবদুছ ছাত্তার ভূঁইয়া (মহিউদ্দীন) স্যার।
তাদের সাথে থেকে হোমিওপ্যাথি সেবা সংঘের উদ্দ্যগে ডা.আবদুছ ছাত্তার স্যারের চেম্বর ” ভূঁইয়া হোমিও হলে” প্রথম সেবা সংঘের ফ্রি চিকিৎসায় দেখেছি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উপকারিতা।

কিন্তু হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলে থাকেন, অথচ আমরা যদি লক্ষ করি তাহলে দেথতে পাই,
হোমিও চিকিৎসা নিচ্ছে অধিকাংশ মানুষেই।
এমনটি ছিল না এক সময়।
সবাই মনে করতো হোমিও চিকিৎসা নেয়,শুধু গরীর দু:খিরা।
কিন্তু আজ তা পাল্টিয়ে গেছে। ধনীব্যক্তি,মধ্যবিত্তব্যাক্তি ও গরীর সর্বস্তরের মানুষই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিচ্ছে।কারণ হোমিও চিকিৎসা হলো অর্গানন এর ২য় সূত্র অনুযায়ী কোন রোগীকে অতি দ্রুত,বিনা কষ্টে এবং স্থায়ী ভাবে চিকিৎসা দেওয়াই হলো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।
তাই দিনদিন বেড়েই চলেছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রসারতা।

শৈলেন হোমিও কেয়ারের উদ্দ্যোগে ফ্রি চিকিৎসায়।


বাংলাদেশের অনেকেই মনে করে দেশের ৪০% লোক হোমিও চিকিৎসা নিয়ে থাকে,কিন্তু আমি আমার দেখা ও আলোচনায় যা পেয়েছি তা হলো,বাংলাদেশের প্রায় ৬০% এর বেশি মানুষ কোন না কোন ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছে হোমিওপ্যাথিক।
হয়তো তা স্বীকার করছে না,তাতে কিন্তু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা থেমে নাই।
কয়েকটি উদাহরন দিলে স্পর্ষ্ট হয়ে যাবেন সবাই-
কারো যদি পাইলসের সমস্যা হয়,নাকের পলিপাসের সমস্যা হয় তা হলে এ্যলপ্যাথিক চিকিৎসক বলবেন অপারেশন করতে, কিন্তু তা আবার দেখা দেয়,এবং যাদের শরীরে আঁচিলা আছে তাদের কি চিকিৎসা দিব এ্যালপ্যাথিক চিকিৎসাক।
কিন্তু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এর ভালো ঔষধ আছে,এবং লক্ষণ ছাড়াই নির্দষ্ট ঔষধ আছে।এবং এই ঔষধ গুলো আমার স্যারের চেম্বারে থেকে দেখেছি রোগী আরোগ্য লাভ করেছে।
এর পর মহিলাদের স্রাব সহ নব রকমের জটিল রোগের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিকে ভালো হয়।
যারা আমার এই লেখাটি পড়বেন তাদের পরিবারে কিংবা আত্মিয় স্বজনের মধ্যে যদি নিম্নের রোগ গুলো হয় তবে, নিচের ঔষধ গুলো প্রয়োগ করে সুস্থ হতে পরবেন-
★ নাকের পলিপাসে যদি সর্দি না থাকে এবং মাংসপেশি বাড়া থাকে তবে নিম্ন পাওয়ার লেমনা মাইনর -৩০ থেকে শুরু করবেন।সর্দি থাকলে,স্যাঙ্গুইনেরিয় নাইট্রিকা -৩০ থেকে খাওয়াবেন।
★ পাইলসের ক্ষেত্রে যদি রক্ত যায় তা হলে-কলিনসোনিয়া আর যদি ফোলা থাকে তবে সেই ক্ষেত্রে ইস্কউলিস হিপ সহ লক্ষণ অনুযায়ী নাক্স,সালফার সহ অন্যান্য ঔষধ ও ব্যবাহার করা যায়।
আজ এই করোনা ভাইরাসে ভারত সহ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ও অনেক অভিজ্ঞ ডাক্তার সবাই হোমিও ঔষধ আর্সেনিক এলবাম-৩০ সকালে খালি পেটে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

গোটা বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা ।

এখনও পর্যন্ত এই করোনা মোকাবিলার কোন প্রতিষেধক তৈরি করা সম্ভব হয়নি । কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাস তার জেনেটিক কাঠামো পরিবর্তন করে। তাই করোনার কোন প্রতিষেধক এখনও তৈরি করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ভারতের ওষুধ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এরমধ্যেও আশার আলো দেখাচ্ছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (Arsenicum album 30) কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

করোনায় লক্ষণ অনুযায়ী হোমিও ঔষধ আর্সেনিক এলবাম।


একটানা তিনদিন খালি পেটে এই ওষুধ সেবন করতে হবে।
এই ওষুধটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগের ক্ষেত্রেও কার্যকর বলে উল্লেখ করে আয়ুস মন্ত্রণালয়।

এই ঔষধের সাথে সাথে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, এই রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে নিয়মিত গরম পানি ও সাবান দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত-মুখ ধোয়া, অকারণে নাকে মুখে হাত না দেওয়া, বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।

তাছাড়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে স্বাস্থ্যকর খাবার, ব্যায়াম এবং কিছু লক্ষণ আনুযায়ী হোমিও ওষুধ খাওয়া ভালো।

তাই আসুন আমরা এই মহামারি করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত সময়ে সবার পাশে থেকে চিকিৎসা প্রদান করি এবং হোমিও চিকিৎসার প্রসারতা করি।

অনিতা সাহা
হোমিওপ্যাথিক অধ্যায়নরত ছাত্রী।
হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
কুমিল্লা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com