শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন -শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ২.৮ লাখ শিক্ষার্থীর গ্রেডিং অনিশ্চয়তায়। জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলার নিয়ম-কানুন-ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন নির্ধারণে নীতিমালা করতে কমিটি। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের পোস্ট দিতে পারবেন না কলেজের ছাত্র–শিক্ষকেরা-ওয়ার্ল্ড খবর২৪.। ভয়াল মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষা হবে না।শিক্ষামন্ত্রী। নারী সম্পর্কে সচেতন হতে হবে সমস্ত জাতীকে-ওয়ার্ল্ড খবর

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্যার আর নেই।

Dr.Lorance Timo Bairagi. / ৩১০ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হারালেন একজন পরম শ্রদ্ধেয় অভিভাবক।
জাতি হারালো তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান।
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান বলেন, আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মারা যাওয়ার সময় তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলো।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন।
জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল থেকে গত শনিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি আজ বিকেলে মারা যান।
ড.আনিসুজ্জামানের পরিবারের সদস্যরা জানান, অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৭ এপ্রিল বরেণ্য এই শিক্ষাবিদকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর হার্ট, কিডনি, ফুসফুস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতা ছিল। এর আগেও গত মাসের প্রথম সপ্তাহে একবার তিনি আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি হন।
আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

আনিসুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), ঊনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থান (১৯৬৯) ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া তিনি ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুবার আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক প্রদত্ত আনন্দ পুরস্কার, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি লিট ডিগ্রি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

শোক প্রকাশ:
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, প্রজ্ঞা ও শুদ্ধ চেতনায় দীপ্ত এ মানুষটির চলে যাওয়া দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি। পৃথক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

আরো শোক প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য,কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাননীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহারউদ্দিন (এম পি),কুমিল্লা সংরক্ষিত আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, কুমিল্লা মহানগর আওয়মী লীগের সহ-সভাপতি মাননীয় সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা(এম পি)।

স্যারের সাথে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।


শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি,ঢাকা,বাংলাদেশ। জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানেরর ছিলেন বাংলাদেশ- ভারত মৈত্রী সমিতির সন্মানিত উপদেষ্টা।

স্যারের সাথে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সাধারন সম্পাদক সুবির কুশারি।


বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভপতি মো: শাহজাহান বিপ্লব ও সাধারন সম্পাদক ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী এই ভাষাসংগ্রামী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংবিধানের অনুবাদক, জাতীয় অধ্যাপক, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী গুরুজন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষক, ইমেরিটাস প্রফেসর জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্যারের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত

ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী।
ওয়ার্ল্ড খবর ২৪


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com