শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ২.৮ লাখ শিক্ষার্থীর গ্রেডিং অনিশ্চয়তায়। জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলার নিয়ম-কানুন-ডা.লরেন্স তীমু বৈরাগী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন নির্ধারণে নীতিমালা করতে কমিটি। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের পোস্ট দিতে পারবেন না কলেজের ছাত্র–শিক্ষকেরা-ওয়ার্ল্ড খবর২৪.। ভয়াল মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষা হবে না।শিক্ষামন্ত্রী। নারী সম্পর্কে সচেতন হতে হবে সমস্ত জাতীকে-ওয়ার্ল্ড খবর জীববৈচিত্র রক্ষায় জাতিসংঘে ৪ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর।

জীব-বৈচিত্র্য বাঁচাতে সময় ১০ বছর : জাতিসংঘ

বিদেশী ডেস্ক / ৩৬ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বিদেশ ডেস্ক:
আমরা গ্রহের গণবিলুপ্তির ষষ্ঠযুগে প্রবেশ করেছি।
এই জন্য অবশিষ্ট বন্যপ্রাণীকে রক্ষা করতে প্রয়োজন পৃথিবীর প্রায় এক তৃতীয়াংশকে ২০৩০ সালের মধ্যে সুরক্ষিত করা এবং দূষণ অর্ধেকে নামিয়ে আনা।
তথ্য-উপাত্ত দিয়ে এ তাগিদ দিচ্ছে জাতিসংঘের একটি সংস্থা। খবর সিএনএন এর।

জাতিসংঘের জীব-বৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন একটি খসড়া পরিকল্পনা প্রকাশ করে যেটি আসছে দশকগুলোতে জীব-বৈচিত্র্যের চলমান সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেয়।

২০১০ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে কনভেনশনটি একই লক্ষ্য নির্ধারণ করে। তবে বিশ্ব সে লক্ষ্যগুলো পূরণে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় এবং বর্তমানে অপ্রত্যাশিত বিলোপ-হারের মুখোমুখি, হুমকির মুখে পড়েছে বাস্তুসংস্থান এবং মানুষের টিকে থাকার জন্য মুখোমুখি হতে হচ্ছে কঠোর পরিস্থিতির।

খসড়া পরিকল্পনায় বলা হচ্ছে, “জীব-বৈচিত্র্য যে সুবিধা দেয় সেটি মানুষের কল্যাণের জন্য এবং একটি স্বাস্থ্যকর গ্রহের মূল বিষয়।”

“চলমান প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সারাবিশ্বে জীব-বৈচিত্র্যের হানি ঘটছে এবং এই হ্রাস অব্যাহত ব্যবসা-মডেলের অধীনে চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠবে।”

২০৩০ সালের মধ্যে নাজুক জীব-বৈচিত্রকে স্থিতিশীল করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তুসংস্থানের পুনরুদ্ধারে কনভেনশনটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে ‘প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা’র চূড়ান্ত দৃষ্টিকল্পের জন্য প্রয়োজন হবে স্থানীয় এবং বৈশ্বিক উভয় স্তরেই জরুরী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের।

কার্বন নিসরণের মাত্রা হ্রাসকরণ থেকে শুরু করে খাদ্য নিরাাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যন্ত পরবর্তী দশকের জন্য ২০টি টার্গেট ঠিক করে দেয় এই খসড়া পরিকল্পনাটি।

পরিকল্পনাটি চলতি বছরের অক্টোবরে চীনে একটি জীব-বৈচিত্র্য সম্মেলনে চূড়ান্ত এবং গৃহীত হবে।

গণবিলুপ্তির ষষ্ঠযুগে গ্রহ:
****************
অনেক বছর ধরে বিজ্ঞানীরা সর্তক করে আসছেন, আমরা একটি গণবিলোপের মাঝামাঝি অবস্থান করছি, যেটি গ্রহের ইতিহাসে ষষ্ঠতম এবং এটিই প্রথম যা মানুষের কারণে সৃষ্ট।

বন থেকে হাতি এক প্রজন্মের মধ্যে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। অ্যাম্ফিবিয়ানদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রের উষ্ণতা এবং অম্লীকরণ ঘটাচ্ছে।
২০১৯ সালে জাতিসংঘ সর্তক করে দিয়ে বলেছিল, বিশ্বের ৮ মিলিয়ন প্রজাতির মধ্যে ১ মিলিয়ন বর্তমানে বিলুপ্তির মুখোমুখি। সামনের দশকগুলোতে যেটা আরো বৃদ্ধি পাবে।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, সঙ্কুচিত আবাসস্থল, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দূষণ হল প্রধান হুমকি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com