মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
মারা গেলেন ফুটবলের জাদুকর ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর নয় ভর্তির পরীক্ষা, এবার স্কুলের সব শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হবে। অবশেষে পরাজয় মেনে নেওয়ার প্রক্রিয়া করছেন ট্রাম্প। ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২৮ ডিসেম্বর কুমিল্লায় বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা। ‘শুধু রাজস্ব আদায় নয়, নাগরিক সেবাও বাড়াতে হবে’-ওয়ার্ল্ড খবর২৪ সিলেটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন-ওয়ার্ল্ড খবর২৪ যে ধর্মেরই হোন না কেন, আমরা সবাই বাঙালি: সজীব ওয়াজেদ।ওয়ার্ল্ড খবর২৪ যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র গতিতে ছুটে আসছে তাজমহলের দ্বিগুণ গ্রহাণু, পৃথিবীর কাছ দিয়ে বেরিয়ে যাবে কাল।

পেঁয়াজ দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এক মাস সময় চান বাণিজ্যমন্ত্রী-টিপু মুনশি।

স্টাফ রিপোর্টস / ৭৭ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পেঁয়াজ দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এক মাস সময় চান বাণিজ্যমন্ত্রী-টিপু মুনশি।
এবং আরো বললেন একমাস সময় পেলেই’ বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া সম্ভব, বললেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ার প্রেক্ষাপটে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন মি. মুনশি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন যেই পরিমাণ পেঁয়াজের মজুদ আছে সেই হিসেবে একমাস সময় পেলে ‘বিকল্প’ বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে বাজারে চাহিদা-যোগানের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

“এক মাস সময় পেলেই মিয়ানমার, তুরস্ক, মিশর, চীন এমনকি নেদারল্যান্ডস বা নিউজিল্যান্ড থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করা সম্ভব”।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সুযোগ নেয়ায় এবং সাধারণ ক্রেতারা ‘প্যানিক বায়িং’ করায় পেঁয়াজের বাজারে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে প্রতি বছর যে পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হয় তার সিংহভাগই আসে সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত। সে কারণে এই সময়েই সাধারণত বাজারে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে। বছরের শুরুর দিকে দেশীয় পেঁয়াজের যোগান অব্যাহত থাকা থাকায় বাজারে ভারসাম্য থাকে।

এ বছর বর্ষায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টিপাতের কারণেও কিছুদিন পেঁয়াজের দাম উর্ধ্বমুখী ছিল বলে মন্তব্য করেন মি. মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঘাটতির ৮০ থেকে ৯০ ভাগই আসে ভারত থেকে।

তাই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারের ভারসাম্য স্বাভাবিকভাবেই ব্যাহত হয়।

দেশের বাজারের ঘাটতি মেটাতে আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে বলে মন্তব্য করেন মি. মুনশি।

তিনি বলেন, “গত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারত রপ্তানি বন্ধ করার সাথে সাথেই আমরা বিকল্প বাজার খোঁজার চেষ্টা করছি। একমাস সময় পেলেই আমরা বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবো।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com